Natok

Uncategorized
Apr 30 2017

টাকার আপদ

ছন্দ নাটক:
টাকার আপদ
-শেখ ফেরদৌস শামস (ভাস্কর)
(আগষ্ট, ২০০৬)
(সুকুমার রায়ের ছোট গল্প অবলম্বনে রচিত)

নাটকের চরিত্রঃ জমিদার, মুচি এবং ঘোষক

(ঘোষকঃ)
আজকে আমি তোমাদের
বলব একটা গল্প
শুনে কিন্তু তোমরা
চিন্তা করবে অল্প।

অনেক দিন আগের কথা
বলছি আমি শোন,
এই যে তুমি, আমার কথায়
হাসছ বলো কেন?

ঐ যে দেখ, আসছে কে?
পরিচয় দেই তার
বিশাল বড় ধনী সে
বিরাট জমিদার।

এত টাকার মালিক তিনি
রাখার নেই যে স্থান,
টাকা আছে সুখ নেই
এই হলো তার গান।

এই গল্পের আরেকজন
দরিদ্র এক মুচি,
জুতা সেলাই করে তার
চলে রুটি রুজি।

গরীব! তাতে হয়েছে কি?
সুখী মুচি ভাই,
মুখে শুধু গান তার
অভিযোগ যে নাই।

(জমিদারঃ)
রোজ আমি এই পথে
যে সময়ই যাই
মুচিটার মুখে শুধু
গানই শুনতে পাই।

তোমরাই বল তো
সুখী কেন এতো সে?

(জমিদারঃ মুচির উদ্দেশ্যে)
এই মুচি, দেখোতো
জুতা বোধ হয় ছিঁড়েছে।

(মুচিঃ)
হুজুর এটা বলেন কি?
এটা তো নতুন জুতো,
এক্ষুনি ঠিক করে দি
এমন সারিয়েছি কতো।

(জমিদারঃ)
আচ্ছা মুচি বলতো তোমার
রোজগার কত দিনে?

(মুচিঃ)
কত আর হবি হুজুর
পঞ্চাশ একশ হবিনে।

(জমিদারঃ)
তাই নাকি? এতো কম?
সংসারটা চলে তো?

(মুচিঃ)
তা চলে যায় এক রকম
কষ্টে শিষ্টে যতো।

(জমিদারঃ)
তা তো বুঝি বেশ
সংসারে আর আছে কে?

(মুচিঃ)
সংসারটা বড়ই বেশ
আমি, বৌ আর তিন মেয়ে।

এই যে হুজুর হয়ে গেছে
এই যে জুতার পাটি,
সেলাই মজবুত হয়েছে
ছিড়বে না আর, গ্যারান্টি।

(জমিদারঃ)
বাহ হাতের কাজ তো বেশ
চমৎকার তোমার,
আর মুখের গানও খুব
পছন্দ হয় আমার।

এই নাও তোমায় দিলাম
টাকা এক হাজার,
কাজে দেবে, তোমারতো শুনি
টানাটানির সংসার।

(মুচিঃ)
সত্যি হুজুর, দিলেন তো?
কেমন সন্দেহ জাগে,
এতো টাকা একসাথে তো
দেখিনি আর আগে।

(ঘোষকঃ)
টাকা দিয়ে জমিদার
চলে যায় বাড়ী,
মুচির তো এদিকে
খুশীতে গড়াগড়ি।

কি করবে টাকা দিয়ে
পায় না ভেবে কূল,
পথে যদি যায় হারিয়ে
চিন্তায় ব্যাকুল।

রাত্রিতে ঘুম নাই
এই বুঝি চোর এলো,
মুচির ঘর থেকে
টাকা নিয়ে গেলো।

কাজে তার মন নেই
মুখে নেই গান,
টাকাটার উপরেই
যত্তো অভিমান।

ঠিক করে টাকাটা
ফেরত সে দেবে,
এক্ষুনি জমিদার
বাড়ী সে যাবে।

(মুচিঃ)
এই যে হুজুর এই নিন
আপনার টাকা,
গরীবের বাড়ীতে
যায় না তো রাখা।

(জমিদারঃ)
টাকা তুমি চাও না?
বলছ কি এটা?
তুমি একটা পাগল নাকি
ঠিক আছে তো মাথা?

(মুচিঃ)
মাথা হুজুর ঠিকই আছে
সুখ গেছে চলে,
টাকার আপদে আমি
গান গেছি ভুলে।

(ঘোষকঃ)
হাঁফ ছেঁড়ে বাঁচল মুচি
টাকা ফেরত দিয়ে,
বাড়ীর পথে পা বাড়াল
গান গুনগুনিয়ে।

এতো দিনে বুঝল এবার
ধনী জমিদার,
টাকা আছে কড়ি আছে
সুখ কেন নেই তার।

(জমিদার টাকাটা ছুড়ে ফেলে দেবে)
টাকাই হলো যত
সব নষ্টের গোড়া,
সুখ কেড়ে কত
সময় থাকতে তাড়া।

টাকাই সর্বনাশের মূল
ডেকে আনে বিপদ
কি? বুঝলেনতো এবার
টাকাই যে আপদ।

(টাকার আপদ নাটকটি অ্যারিজোনার শিকড় বাংলা স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা সেপ্টেম্বর ১৬, ২০০৬ তারিখে তাদের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পরিবেশন করে। এবং একইদিনে অ্যারিজোনা থেকে প্রকাশিত বার্ষিক সাহিত্য পত্রিকা “সিঁড়ি” তে প্রকাশিত হয়।)

 

 

NATOK 2

“সবুজ পাঠশালা’’ পাঠ্যালয়ের একমাত্র শিক্ষক ‘নতুন পন্ডিত’। যথারীতি তার বিচ্ছু ছাত্রদের মাঝে অন্যতম- ঈগল, আশরাফুল, মাটির মানুষ ও বাবু মিয়া। একদিন ক্লাসে-

পন্ডিতমশাই- (হাজিরা ডাকছেন) রোল এক।
ঈগল- আছি পন্ডিতমশাই।
পন্ডিতমশাই- রোল দুই।
আশরাফুল-ইয়েস স্যার।
পন্ডিতমশাই- রোল তিন।
বাবু- চোখে দ্যাখেন না! ক্লাসেই বসে আছি।
পন্ডিতমশাই- কত্ত বড় বেয়াদ্দপ! তোকে দেখতে হবে!!
ঈগল- ও ঠিকই বলেছে স্যার, আপনি কি দিনকানা নাকি? আপনার সামনেই ও বইসে আছে, তারপরেও জিগান ক্যান?

পন্ডিতমশাই- এই ঈগল তুই দাঁড়া, তুই বল পানামা কনে (কোথায়)?
ঈগল- স্যার, পানামা চেয়ারের নিচে অবস্থিত।
পন্ডিতমশাই- মানে!!
ঈগল- স্যার, চেয়ারের উপরে পা রাখলে হয় ‘পা-উঠা’, আর চেয়ারের নীচে পা নামালে হয় ‘পা-নামা’, তাইনে স্যার?
পন্ডিতমশাই- বুঝেছি তোর বিদ্যে! এই আশরাফুল তুই বল, কানাডা কনে?
আশরাফুল- স্যার, কানাডা টয়লেটে।
পন্ডিতমশাই- গাধা, কানাডা কি টয়লেটে অবস্থিত!!
আশরাফুল- স্যার, আমাদের সলিম কানার কথা বলেছেন না, ওতো আপনার সামনে দিয়েই টয়লেটে গেল।

পন্ডিতমশাই- তোদের দিয়ে কিসসু হবে না। এবার আমরা বাংলা সাহিত্য পড়বো। রবীন্দ্রনাথ একজন বড় কবি ছিলেন। তিনি ‘জল পড়ে, পাতা নড়ে’ লিখেছিলেন।
ঈগল- স্যার, ঐরকম আমিও লিখতি পারি।
পন্ডিতমশাই- তুমিও লিখতি পার, তাহলে বল দেখি!
ঈগল- ‘ডাব পড়ে, মাটি নড়ে’। কেমুন হইছে স্যার?
পন্ডিতমশাই- এইটে (এটা) কোন কবিতা হলো!
বাবু- ক্যান সার, ওতো ঠিকই লিখিছে। রবীন্দ্রনাথ যদি জল ফেলে পাতা নাড়াতে পারেন, তাহলে ঈগল কেন ডাব ফেলে মাটি কাঁপাতে বা নাড়াতে পারবেনা।

পন্ডিতমশাই- এবার তোরা সব্বাই ঐ কবিতাটা পড়। ঐ যে-
“ঝড়ের দিনে মামার বাড়ি আম কুড়োতে সুখ
পাকা জামের শাঁখায় উঠে, রঙিন করি মুখ।’’
ঈগল- স্যার, এ কবিতা আমি পড়তি (পড়তে) পারবোনা।
পন্ডিতমশাই- ক্যান, তোর কি হলো?
ঈগল- স্যার, আমার কোন মামার বাড়ি নেই, আমার শুধু খালা আছে। তাই আমার হবে খালার বাড়ি।
পন্ডিতমশাই- তাহলে, খালার বাড়ি দিয়ে পড়ো!
ঈগল- এতেও কতা (কথা) আছে স্যার।
পন্ডিতমশাই- আবার কি কথা!!
ঈগল- স্যার, আমার দুই খালা। এক খালা থাকেন লন্ডনে। ওখানে  ভিসা দিয়ে গিয়ে আম কুড়োতে পারবো না স্যার। তারপরে আরেক খালা থাকেন ঢাকাতে ফিলাট (ফ্লাট) বাড়িতে, ওখানে কি আমগাছ আছে না নাই! কে জানে!!
পন্ডিতমশাই- হইছে, তাহলে তুই ছাড়া বাকি সব্বাই পড়।
বাবু- স্যার আমারো কতা আছে।
পন্ডিতমশাই- তোকে কি চুলকাচ্ছে? কি কথা?
বাবু- স্যার ঐযে বললেন- ‘পাকা জামের শাঁখায় উঠে, রঙিন করি মুখ’, স্যার মুখ রাঙাতে গেলে জামায় দাগ পড়ে যাবে। মা বলেছে, এইবার জামা নষ্ট হলে ঈদে জামা কিনে দিবেনে (দিবে না)। তাই আমি এই কবিতা পড়তি (পড়তে) পারবো না।

পন্ডিতমশাই- তোদের আর বাংলা পড়তি (পড়তে) হবে না। এবার তোদের অংক ধরবো। এই ঈগল, ধর তোকে আমি ৫টা আম দিলুম।
ঈগল- কই স্যার, আম দেন। অনেকদিন খাইনি।
পন্ডিতমশাই- আরে, মনে কর তোকে আমি ৫টা আম দিলুম, সেখান থেকে তুই বাবুকে ২টা আম দিলি, তাহলে তোর কয়টা আম থাকলো?
ঈগল- কি বললেন স্যার! বাবুকে আম দিতে হবে! সেদিন ও বাদাম খায় আর বলে, ‘আমি বাদাম খাই, তুই খোসা খা।’ আর ওরে আমি আম দেবো!! কখখোনা না… কখখোনা না। ওই ৫টা আম আমি নিজেই খাব।
পন্ডিতমশাই- তুই বস, তোকে দিয়ে হবে না। এই আশরাফুল, ধর তোর বাবা তোকে ১০০ টাকা বাজারের জন্যে দিল, সেখান থেকে তুই ৫০ টাকার মাছ কিনলি, তাহলে তোর বাবা তোর কাছ থেকে কত টাকা পাবে?
আশরাফুল- এক টাকাও পাবে না স্যার। আমি কি বলদ নাকি! বাবাকে বলবো, মাছের দাম ১০০টাকা, আর বাকি ৫০ টাকা মেরে দেবো… হি.. হি..।

পন্ডিতমশাই- ওরে এইবার ইংরেজী বই খোল।
ঈগল- স্যার, ইংরাজী (ইংরেজী) ধরবেন না। আপনি… আপনি লজ্জিত হবেন স্যার। আমি যে ইংরেজী জানি তা আপনি কোন ডিসকোনারীতে (ডিকশনারী) পাবেন না।
পন্ডিতমশাই- কি! এত্ত বড় বেয়াদপ তুই!! দেখি কি ইংরেজী জানিস!
ঈগল- স্যার, বলেনতো ‘হোয়াট ইষ্টিং ফট’ মানে কি?
পন্ডিতমশাই- ওরে বাবা! এ ইংরেজী আমি জীবনেও শুনিনি।
ঈগল- স্যার বললাম না! আমি যে ইংরেজী জানি তা আপনি কোন ডিসকোনারীতে খুঁজে পাবেন না।

 

পন্ডিতমশাই- আচ্ছা, এবার তোদের সাধারন জ্ঞাণ পাড়াবো। এই আশরাফুল তুই বল, বেনানা কাকে বলে?
আশরাফুল- স্যার, যার কোনো নানা নেই তাকে বেনানা বলে।
পন্ডিতমশাই- এবার বাবু এক কথায় প্রকাশ কর- ‘আকাশে চরে যে’
বাবু- স্যার, বিমান।
পন্ডিতমশাই- আশারাফুল বল, টাকা আয়ের সহজ উপায় কোনটি?
আশরাফুল- স্যার, বাবার পকেট কাটা।
পন্ডিতমশাই- ছি! ছি! তোর ভবিষ্যত আমি অন্ধকার দেখতেছি।
ঈগল- স্যার, এইটা ভুল বললেন, ওর বাবা সেদিনো ২টা টর্চলাইট কিনে আনলেন, ভবিষ্যত অন্ধকার হলে আপনার হবে, ওর ভবিষ্যত পুরা ফক-ফকা।
পন্ডিতমশাই- ওরে! ওর ভবিষ্যত পুরা আলোয় আলোয় ভইরে উঠিছে..। এই মাটির মানুষ, তুই দাঁড়া।
ঈগল- স্যার ও দাঁড়াতে পারবেনা।
পন্ডিতমশাই- কেন! ওকি নবাবজাদা হয়েছে?
ঈগল- না স্যার, ওর প্যান্টের চেইন নেই স্যার।
পন্ডিতমশাই- এই খবরদার বাবা, তুই দাঁড়াসনে… তুই দাঁড়াসনে। তুই বসেই থাক।

ঈগল- স্যার, আফনে তো অনেক প্রশ্ন করলেন। এবার আমার কিছু জানার ছিল। প্রশ্ন করি?
পন্ডিতমশাই- এতক্ষনে ভাল বলেছিস, তা প্রশ্ন করতে পারিস।
ঈগল- স্যার, আমাদের গাঁয়ের ধারে যে নদী চলে গ্যাছে, সেটা কেটেছিল কে?
পন্ডিতমশাই- (রেগে গিয়ে) সেটা তোর দাদা আর আমি কেটেছিলুম, বাঁদর কোথাকার!
ঈগল- তাইলে এত্ত মাটি ফেলেছিলেন কোথায়?
পন্ডিতমশাই- এত্ত মাটি আমি খেয়েছিলুম, শালার ইতুড়ে ছাত্র কোথাকার।
ঈগল- স্যার, মাটি খাওয়ার সময় দাঁতে কিচ্ কিচ্ করেছিল না?
পন্ডিতমশাই- (প্রচন্ড রেগে) ওরে তোরা আমার মাথায় বাড়ি মার!!
আশরাফুল- স্যার কি দিয়ে মারবো?
ঈগল- এই বাবু, চেয়ারের পায়া ভেঙে ফেল, স্যারের মাথায় বাড়ি দিতি হবে….. স্যারের আদেশ।
বাবু- স্যার, চেয়ারের পায়ার বদলে ক্লাসের ঘন্টা দিয়ে বাড়ি মারি!!

(ততক্ষনে একপাটি জুতো রেখে কষে দৌড় দিয়েছেন আমাদের পন্ডিত মশাই- নতুন পন্ডিত)

(সমাপ্ত)

 

 

 

 

গান -দিপান্বিতা
Lyrics :
সময় যখন মরুর ঝড়ে,
এ মন হারায়কেমন করে,
আমি তখন যোজন
দূরে একাকি সঙ্গি মৌনতা /
আকাশ যখন আঁধারভীষণ,
একফোঁটা জল চেয়েছে মন,
অবহেলায়অপমানে পেয়েছে রিক্ত
শুন্যতা/
সমান্তরাল পথেরবাকে, তোমারপথের দিশা থাকে,
সে দিশা খোঁজে তোমাকে দীপান্বিতা …
গাছের সবুজ পাতারফাঁকে,
তোমারছোঁয়া মিশে থাকে,
সে ছোঁয়া খোঁজে তোমাকে দীপান্বিতা…
তুমি নীলাকাশ আপনকরেছোহঠাৎ কোনকালে কে জানে!
স্বপ্নসীমানা ছুঁয়ে দিয়েছকোনসে জাদুতে কে জানে!
আমি ছিলাম তোমারপাশে,
তোমার আকাশভালবেসে,
সে বিশালে খুঁজেছি একটুকুঠাই,
তাও মেলেনি তা/হঠাৎ যখন ছুটিরখেলা,
মেঘে মেঘে অনেকবেলা,
তখনসে ক্রান্তিকালে ধুম্রজালে খুঁজছযে বৃথা/
অশান্ত মন বোঝাইকাকে,
হারিয়ে চাইছি তোমাকে,
হাতছানি দিয়েযে ডাকে সৃতির পাতা…
নদির শেষে আকাশনীলে,
স্বপ্নগুলো মেলে দিলে,
তারা বলে সবাই মিলে,
দীপান্বিতা…
শোননা রূপসী,
তুমি যে শ্রেয়সী,
কি ভীষণ উদাসি,প্রেয়সী।
জীবনের গলিতে,
এগানেরকলিতে,
চাইছি বলিতে,ভালবাসি।
চোখের জলেরইআড়ালে,
খেলা শুধুই দেখেছিলে,
যন্ত্রণারই আগুননীলে,
পুড়েছি যে-বোঝনি তা/
অভিমানে চুপটি করে,
এসেছি তাই দূরে সরে,
বোঝাতে চেয়েওপারিনি তাইবোঝাতে-
লুকোনো কথা/
ইটপাথরের এ শহরে,
গাড়ি বাড়িরএ বহরে,
খুজছে এ মন
ভীষণ করেদীপান্বিতা…
জীবন যখনথমকে দাড়ায়,
স্বপ্নগুলো দৃষ্টি ছাড়ায়,
তৃষ্ণা বুকেরবৃষ্টি হারায়দীপান্বিতা…
কল্পনারই আকাশজুড়ে,
নানা রঙে লোকেরভিড়ে,
দুচোখবুজেও স্বপ্ননীড়েদীপান্বিতা…
তুমি আমার চোখেরভাষা,
তুমি আমার সুখেরনেশা,
তুমি আমারভালবাসা দীপান্বিতা…..
.।।

 

About the Author:

Leave a Reply

*